রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৪ মে, ২০১৬

ফাঁসির মঞ্চে উঠে ধস্তাধস্তি করেছেন নিজামী

ফাঁসির মঞ্চে উঠে ধস্তাধস্তি করেছেন নিজামী

ফাঁসির মঞ্চে উঠতে চাননি জামায়াতে ইসলামের নেতা মতিউর রহমান নিজামী। তাকে জোর করে ফাঁসির মঞ্চে তুলতে হয়েছে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি সূত্র বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সংবাদকর্মীদের নিকট এ খবরটি নিশ্চিত করেছে।
কারা সুত্র জানায়, রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে নিজামীকে কনডেম সেল থেকে বের করে ফাঁসির মঞ্চে নেয়ার পথে তিনি ব্যাপক অনীহা প্রকাশ করেন। কনডেম সেল থেকে বের করার জন্য নিজামীকে তিন জল্লাদ মিলে টানাটানি করলে তিনি সেলের দরজার হাতলটি শক্ত করে ধরে রাখেন। টানাহ্যাঁচড়ার একপর্যায়ে তাকে কনডেম সেল থেকে বের করা সম্ভব হয়।

সূত্রটি আরও জানায়, নিজামী ফাঁসির মঞ্চে যেতে অসম্মতি জানালে জল্লাদরা বাধ্য হয়ে জোরপূর্বক তাকে কাঁধে উঠিয়ে মঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যায়। এবং মাথায় জমটুপি পরিয়ে দেয়। এরপর নিজামীকে যখন ফাঁসির মঞ্চে তোলা হচ্ছিলো, তখন তিনি বেশ কয়েকবার বসে পরেন। এবং মঞ্চে উঠতে অস্বীকার করেন। অতঃপর সাতজন কারারক্ষীর সহায়তায় জল্লাদরা শেষবারের মত নিজামীতে জোরজবস্তি করে ফাঁসির মঞ্চে তুলতে সক্ষম হয়। এসময় তিনি হাত পা ছুড়াছুড়ি করে বাঁচার চেষ্টা চালিয়ে যান। এবং একপর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দেন। সেই সুযোগেই ঝুলিয়ে দেয়া হয় কুখ্যাত এই যুদ্ধাপরাধীকে।

তবে সেখানেও বেশ বেগ পেতে হয় জল্লাদদের। ফাঁসির মঞ্চের মাঝখানে গোলাকারর ১২ ফুট গভীর গর্ত। আর উপরে খোলা ৮ ফুট। গর্তটি ঢাকা থাকে কাঠ দিয়ে। আর সেই কাঠের মাঝখানে দণ্ডিতকে দাঁড় করানো হয়। ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করার সময় রোলার টেনে কাঠ সরিয়ে নেয়া হয়। কিন্তু নিজামী সেসময় এমনভাবে দাঁড়ান যে, তার দুই পা গর্তের বাইরে থাকে। বারবার বলার পরও তিনি দুই পা এক করছিলেন না। বরং তিনি গর্তের দুইদিকে দুই পা বিরাট ফাঁক করে দিয়ে রেখে গর্তে পড়া থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন। জল্লাদ রাজু তখন নিজামীর দুই পা টেনে এক করে একটি দড়ি দিয়ে বেঁধে দেন। এরপর সফলভাবে ফাঁসি কার্যকর করা সম্ভব হয়।

এভাবেই বহু ঝামেলার মধ্য দিয়ে কার্যকর করা হয় নিজামীর মৃত্যুদণ্ড।

মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০১৬

শেষ বয়সে পক্ষী মারা খেলেন শফিক রেহমান


শেষ বয়সে পক্ষী মারা খেলেন শফিক রেহমান 
অবশেষে বেরিয়ে এলো শফিক রেহমানের থলের বেড়াল। সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সংরক্ষিত তথ্য পেতে ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় দণ্ডিতদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের কথা স্বীকার করেছেন শফিক রেহমান।

রিমান্ড চলাকালীন সময়ে অফিসারদের খাওয়ানোর জন্য পাতিল থেকে দুটো সিদ্ধ ডিম উঠানো হলে তা দেখে কোনো কারণে একটু ভড়কে যান শফিক রেহমান। তারপরই তিনি তোতলানো শুরু করেন। ডিম দুটো একটি প্লেটে করে রিমান্ড চেম্বারের টেবিলের সামনে আনা হলেই কাপুনি শুরু হয় তার। একপর্যায়ে তিনি হরহর করে সব গোপন তথ্য বলে দিতে শুরু করেন।

এরপর আলামত সংগ্রহের জন্য শফিক রেহমানকে সাথে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ তার বাড়িতে তল্লাশি চালালে তার বিছানার তোশকের নিচ থেকে ৮পিস যৌন উদ্দীপক ভায়াগ্রা, ভারতীয় 'উস্তাদ কনডম' ও কিছু চটি ম্যাগাজিন সহ প্রায় সতেরো লোকাল পর্নোগ্রাফির সিডি জব্দ করা হয়।

এদিকে শফিক রেহমানকে নিয়ে গোটা অনলাইন জুড়ে চলছে তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা। এমনই একজন বিক্ষুদ্ধ ব্যক্তি, ফেসবুকের জনপ্রিয় মুখ খস্তগীর প্রথম আলু সাংবাদিককে জানিয়েছেন, "লাল গোলাপ দিয়ে টাক ঢাকার চেষ্টা করতে গিয়ে এমন কাবজাবে পড়তে হবে, শফিক এটা জিন্দেগিতেও ভাবেনি। কিন্তু আল্লাহর কি কুদরত। এই শেষ বয়সে এসে ঠিকই পক্ষী মারা খেলেন শফিক রেহমান।"